কুষ্টিয়ায় প্রেমিকার বাড়িতে লক্ষ্মীপুরের প্রেমিকের আত্মহত্যা
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: ভালোবাসার টানে লক্ষ্মীপুরের প্রেমিক ছুটে গেলেন সুদূর কুষ্টিয়ায় প্রেমিকার কাছে। কিন্তু না প্রেমিক মারুফের সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। হয়তো অশ্রুসিক্ত নয়নে গভীর তিক্ততায় বিষপান করে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছিল প্রেমিকা।মারুফ হোসেন (১৮) লক্ষ্মীপুর কমলনগর উপজেলার চর লরেন্স এলাকার ৮নং ওয়ার্ডের ডাকাতের পোল এলাকার বাসিন্দা সবুজ হোসেন-এর ছেলে। পেশায় ছিলেন একজন কাঠমিস্ত্রি।৪/৫ মাস আগে মারুফ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার একটি মেয়ের সাথে পরিচয় হয়। সেই পরিচিতির মাধ্যমেই শুরু হয় তাদের দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠে।তাদের দুজনের এমন সম্পর্ক দুই পরিবারের মধ্যেই জানা জানি হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই দুজনের সম্পর্কের মধ্যে ফাটল ধরতে শুরু হয়।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মারুফ ৪/৫ মাস আগে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ের জের ধরে দুজনের মধ্যে প্রেম হয়। এক পর্যায়ে মারুক সেই তরুণীর সাথে কথা বলতে থাকে। বিষয়টি যখন উভয় পরিবারের মধ্যে জানাজানি হয়। তখনই প্রেমিকার পরিবার থেকে প্রেমিকাকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। এক পর্যায়ে প্রেমিক-প্রেমিকা দুজনের সম্পর্কের মধ্যে এক ধরনের টানপোড়ন সৃষ্টি হয়। এরই মধ্যে ঈদকে সামনে রেখে মারুফ ঢাকায় তার ফুফুর বাসাতে বেড়াতে যায়। ঢাকা থেকে ২৪ মার্চ মঙ্গলবার প্রেমিকার সাথে দেখা করতে কুষ্টিয়ায় প্রেমিকার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয় মারুফ। কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা প্রেমিকার বাড়িতে যাওয়ার পর প্রেমিকা এবং প্রেমিকার পরিবারের সাথে মারুফের এক ধরনের বাক-বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মারুফ সেই প্রেমিকার বাড়িতে বিষপান করলে প্রেমিকা নিজেই তাকে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ততক্ষণে মারুফের প্রেমের সমাধি রচিত হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক মারুফকে দেখে মৃত ঘোষণা করে।কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ফরিদুল আলম জানান, বিষয়টি আমি নিশ্চিত হয়েছি, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মারুফের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।